ঢাকার ক্রিকেটপ্রেমী থেকে রাজশাহীর গৃহিণী — 0k Baji-তে জেতা মানুষগুলোর পেছনের সত্যিকারের কাহিনি। কে কীভাবে জিতলেন, কোন কৌশলে এগিয়ে গেলেন — সব বিস্তারিত এখানে।
এই মাসের সবচেয়ে আলোচিত বিজয়ীদের গল্প
রাজশাহী শহর থেকে কিছুটা দূরে একটি ছোট পাড়ায় থাকেন রহিমা বেগম। বয়স চল্লিশের কাছাকাছি, সংসার সামলান নিজেই। স্বামী মাঝারি আকারের একটি ব্যবসা করেন, কিন্তু সংসারে বাড়তি রোজগারের চিন্তা সবসময়ই থাকে। ২০২৬ সালের শেষ দিকে তার ভাই একদিন বলেছিলেন 0k Baji-র কথা। প্রথমে আগ্রহ ছিল না বললেই চলে।
রহিমা শুরু করেছিলেন মাত্র ৳২০০ দিয়ে। প্রথম দুই সপ্তাহ শুধু দেখেছেন — কোন ম্যাচে বেট রাখলে কী হয়, কোন লটারিতে জেতার সম্ভাবনা বেশি। ক্রিকেট তিনি আগে থেকেই ভালোবাসতেন, তবে বেটিংয়ের নিয়মকানুন ছিল নতুন। 0k Baji-র বাংলা ইন্টারফেস আর সহজ নির্দেশিকা তার শেখার কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছিল।
তৃতীয় মাস থেকে তিনি একটা নিজস্ব পদ্ধতি তৈরি করলেন — ছোট ছোট বেট, কিন্তু হিসাবমতো। কখনো বড় টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে, কখনো IPL-এর নক-আউট পর্বে। জেতার টাকা তুলে নিতেন না — আবার ব্যালেন্সে রেখে দিতেন। এই ধৈর্যই তাকে ছয় মাস পরে এনে দিল ৳৭৮,০০০।
রংপুরের ছেলে তানভীর কখনো ভাবেননি যে অনলাইনে এত সহজে টাকা আসতে পারে। বাবা কৃষিকাজ করেন, তানভীর একটি মুদির দোকান চালান। সন্ধ্যার পর ফোনে সময় কাটানোর অভ্যাস ছিল, একদিন ইউটিউবে 0k Baji-র বিজ্ঞাপন দেখলেন।
তানভীর সরাসরি একটি পদ্ধতি মেনে চললেন — আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রতি সপ্তাহে বেটিংয়ে রাখবেন, বাকিটা ছোঁবেন না। তিনি 0k Baji-র লটারি আর ক্রিকেট বেট দুটোই ব্যবহার করেছেন।
কেস স্টাডি বিশ্লেষণ করে পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে 0k Baji-তে জেতা মানুষেরা
কেস স্টাডি ও বিজয়ীদের বিষয়ে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো